অ্যাপ্লিকেশনটি ডাউনলোড করুন এবং সম্পূর্ণ কৃতির পরিচিতি দেখুন।
**"আমাদের বাড়িতে খাবার জোটে না, পাঁচশ টাকা কোথায়? তোমরা ডাকাতি করতে এসেছ?"**
**"উপরন্তু, জু ফেই এখনো শয্যাশায়ী। তোমরা যা বলছ, সত্যি না মিথ্যে কে জানে!"**
**"বাইরে যা, সবাই বাইরে যা..."**
নারীর রাগারাগির চিৎকার কানে আসছিল।
জু ফেই-র মাথা প্রচণ্ড ব্যথা করছিল, যেন ফেটে যাবে। নিঃশ্বাস পর্যন্ত বন্ধ হয়ে আসছিল।
**"আহ!"**
একটা গভীর আর্তনাদ। অবশেষে কষ্ট করে চোখ খুলল।
যেন ডুবে যাওয়া মানুষ তীরে উঠেছে। বিপদে ফাঁদে পড়ে মুক্তি। হাঁপাতে লাগল। সারা শরীর ঘামে ভিজে গেল।
বাঁদর! মদ খেয়ে প্রায় মরেই গিয়েছিলাম!
জু ফেই মনে মনে গালাগালি করে উঠে বাথরুমে যেতে উদ্যত হল।
মাথা তুলে সামনের দৃশ্য দেখে থমকে গেল।
সামনে রেখেছে একটা আট ইঞ্চির কালো-সাদা টেলিভিশন। সিগন্যাল অস্থির থাকায় মাঝে মাঝে তুষারপাতের মতো জ্বলছে। ভেতর ফি জিয়াং-এর ক্লাসিক গান—শীতের এক আগুন—বাজছে।
লম্বা কাঠের টেবিলে রাখা আছে পুরোনো ব্যাটারিচালিত টর্চলাইট, আর কয়েকটা সাদা রং-এর চীনামাটির বাটি-প্লেট। সেগুলোতে লাল ফুল ও লাল কালির চীনা হরফ আঁকা।
কী ব্যাপার?
এটা কোথায়?
জু ফেই প্রথমে ভেবেছিল বিভ্রম দেখছে। কিন্তু মাথার ভেতরের তথ্য ও দেয়ালে ঝোলা ক্যালেন্ডার স্পষ্ট জানিয়ে দিল—সে পুনর্জন্ম পেয়েছে!
১৯৮৫ সালের ৩ মে!
সত্যি না!
এত বাজে ভাবে?
সে ছিল একবিংশ শতাব্দীর মানুষ। যদিও খুব ভালো অবস্থায় না ছিল, তবু সম্পত্তি কয়েক বিলিয়ন। অসংখ্য মানুষ তাকে হিংসে করত—সোনালী ব্যাচেলর! গতকাল ছিল তার ত্রিশতম জন্মদিন। খুশিতে একটু বেশি মদ খেয়ে অচৈতন্য হয়ে গিয়েছিল।
ঘুম থেকে উঠে দেখে, ভগবান তার সঙ্গে বিরাট রসিকতা করেছে!
আশির দশকে পুনর্জন্ম পেয়েছে। তারই নাম-ধারী এক ব্যক্তির দেহে!