অশুভ শক্তি চারদিকে ছড়িয়ে পড়েছে, যুদ্ধ থামছে না কখনোই। অশান্ত এই যুগে মানুষের প্রাণ কুকুরের চেয়েও তুচ্ছ। তবুও সে নিরন্তর তলোয়ার হাতে এগিয়ে চলে, হাজার মাইল অতিক্রম করে শত্রুর মুণ্ডু সংগ্রহ করে!
**অধ্যায় ১: আমাকে ছেড়ে দাও**
**"ভাইয়েরা, জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের আদেশ—আজ বাজারের মোড়ে বিদ্রোহীদের শিরচ্ছেদ করা হবে। আজ যারা বাজারে এসেছে, তাদের সবাইকে শিরচ্ছেদ দেখতে যেতেই হবে। না গেলে বিদ্রোহীদের সহযোগী বলে গণ্য হবে!"**
কয়েকজন পুলিশ সদস্য হাতে তামার ঘন্টা নিয়ে কিংশান জেলা শহরের রাস্তায় ঘুরে বেড়াচ্ছিল। হাতে ঘন্টা বাজিয়ে চিৎকার করছে, **"সবার জন্য! সবার জন্য! কেউ না গেলে, সেও অপরাধীদের দোসর। এটা নয় বংশ ধ্বংসের অপরাধ! সবাই বাজারের মোড়ে যাও, দ্রুত যাও!"**
এই সময় চাও রাজ্যে বছরের পর বছর প্রাকৃতিক দুর্যোগ, উদ্বাস্তুদের ভিড়, যারা বাঁচতে পারেনি তারা বিদ্রোহের পতাকা তুলেছে। যদিও সব বিদ্রোহ দমন করা হয়েছে, কিন্তু বারবার অস্থিরতা সমগ্র চাও রাজ্যের ভিত নাড়িয়ে দিয়েছে।
অশান্তির সময় কঠোর শাস্তি—এই নীতি অনুসারে চাও রাজ্য বিদ্রোহীদের বিরুদ্ধে সবসময় নির্মম। নয় বংশ ধ্বংস, আত্মীয়-স্বজন হত্যা—শিকড় পর্যন্ত ধ্বংস করা হতো।
সাধারণ মানুষকে সতর্ক করার জন্য বিদ্রোহীদের শিরচ্ছেদের সময় সবচেয়ে জনবহুল জেলা শহরের সবচেয়ে ব্যস্ত ও প্রশস্ত জায়গায়尽可能 বেশি মানুষকে উপস্থিত থাকতে বাধ্য করা হতো।
তারা মনে করত, শুধু রক্ত ও মৃত্যু সাধারণ মানুষকে ভয় দেখাতে পারে, তাদের সাহস ভেঙে দিতে পারে, তাদের শান্ত রাখতে পারে।
এই কারণেই বিদ্রোহীদের শিরচ্ছেদের সময় স্থানীয় কর্মকর্তারা সাধারণ মানুষকে উপস্থিত থাকতে বাধ্য করতেন। যেমন মুরগি কেটে বানর দেখানো হয়—সতর্কবার্তা দেওয়ার জন্য।
এখন পুরো কিংশান জেলা শহর—শহরের বাসিন্দা হোক আর বাজারে আসা লোক—সবাইকে পুলিশ সদস্যরা জেলা শহরের প্রধান চৌরাস্তায় জড়ো করেছে।
চৌরাস্তার সংযোগস্থলে একটি বড় চত্বর রয়েছে, যেখানে আজ শিরচ্ছেদের আসামিদের বেঁধে রাখা হয়েছে।
ফাঁসির মঞ্চে কাঠের ক্রুশ